দাম পড়লে আরও কিনে গড় দাম নামিয়ে আনাকে "averaging down" বলে। এতে যে দামে আপনার লস শেষ হয় (break-even) সেটা কাছে চলে আসে।
⚠ কিন্তু গড় করা তখনই কাজে দেয় যখন কোম্পানিটা আসলেই ভালো — ক্যাটাগরি A, পজিটিভ EPS, নিয়মিত ডিভিডেন্ড। দুর্বল কোম্পানিতে গড় করা মানে পড়তে থাকা শেয়ারে আরও টাকা ঢালা, যা লস বাড়ায়। তাই কেনার আগে উপরের ফান্ডামেন্টালগুলো একবার দেখে নিন।
🔔 দাম ও স্বাস্থ্য অ্যালার্ট
ACMELAB নিয়ে কিছু বদলালে আমরা জানিয়ে দেব — দাম টার্গেট, শীর্ষ থেকে পতন, লাভ/লস, বা কোম্পানির স্বাস্থ্য/ক্যাটাগরি খারাপ হওয়া।
রিটার্ন: বিভিন্ন সময়ে দাম কত বেড়েছে/কমেছে — সাম্প্রতিক ট্রেন্ড বোঝায়।
Price/NAV = দাম ÷ প্রকৃত সম্পদমূল্য। এই খাতে গৌণ — ব্র্যান্ড/আয়ই মূল্য, তাই NAV-র উপরে থাকা স্বাভাবিক। ডিভিডেন্ড ইল্ড = বছরের ক্যাশ ডিভিডেন্ড ÷ এখনকার দাম × 100 — অর্থাৎ আজকের দামে কিনলে ডিভিডেন্ড থেকে কত % ফেরত আসে।
⚠ শুধু দাম বাড়া বা বেশি ইল্ড মানেই ভালো নয় — কোম্পানি ভালো কিনা (উপরের ফান্ডামেন্টাল) আগে দেখুন।
দামের চলাচল — স্বাভাবিক?✓ স্বাভাবিক চলাচল
দাম-লাফ (30 দিনে)+6.44%স্বাভাবিক সীমায়
ভলিউম1.81× স্বাভাবিকেরস্বাভাবিকের কাছাকাছি
দৈনিক ওঠানামা1.12%/দিনশান্ত
দৈনিক লেনদেন৳5.97 কোটিপর্যাপ্ত
সর্বোচ্চ থেকে-3.84%
কিছু শেয়ারে অল্প কয়েকজন মিলে দাম কৃত্রিমভাবে ওঠায় (pump), সাধারণ মানুষ লোভে কিনলে তারপর বেচে দেয় — দাম পড়ে যায় (dump)। এই কার্ড দাম-লাফ, ভলিউম, অস্থিরতা ও লেনদেন দেখে বোঝার চেষ্টা করে চলাচলটা স্বাভাবিক কিনা।
⚠ এটা নিশ্চিত প্রমাণ নয় — শুধু থেমে ভাবার সংকেত। "অস্বাভাবিক" দেখলে লোভে না কিনে আগে উপরের ফান্ডামেন্টাল ও খবর দেখুন। ভালো কোম্পানির দামও মাঝে মাঝে দ্রুত বাড়ে।
প্রতিষ্ঠাতার অংশ42.38%প্রতিষ্ঠাতারা বড় অংশ ধরে আছেন
কোম্পানির শেয়ার কাদের হাতে তা গুরুত্বপূর্ণ।
ফ্রি ফ্লোট = বাজারে অবাধে কেনাবেচা হওয়া অংশ (প্রতিষ্ঠাতা/সরকারের লক করা অংশ বাদ)। কম ফ্রি ফ্লোট মানে অল্প শেয়ার হাতবদল হয় — তাই কয়েকজন মিলে দাম সহজে নাড়াতে পারে (ম্যানিপুলেশনের ঝুঁকি)। প্রতিষ্ঠাতার বড় অংশ সাধারণত আস্থার লক্ষণ (তাঁরাও ঝুঁকিতে আছেন); খুব কম হলে প্রশ্ন ওঠে।
এক নজরে
96/ 100চমৎকার
✓ ভালো দিক: ক্যাটাগরি A — সবচেয়ে নিরাপদ শ্রেণি; লাভ করছে (পজিটিভ EPS); সাম্প্রতিক ক্যাশ ডিভিডেন্ড (২০২৫); P/E যুক্তিসঙ্গত।
কোম্পানির কয়েকটা মূল সংখ্যা একসাথে দেখে — ক্যাটাগরি, লাভ (EPS), ডিভিডেন্ড, নগদ প্রবাহ ও দাম-বনাম-NAV — এই কার্ড একটা সহজ সারাংশ দেয়, যাতে এক নজরেই বোঝা যায় কোম্পানিটা মোটামুটি কেমন।
🟢 সবুজ — বড় কোনো লাল সংকেত নেই। 🟡 হলুদ — দু-একটা জায়গায় সতর্ক থাকুন। 🔴 লাল — গুরুতর ঝুঁকি।
এটা শুধু বোঝার জন্য একটা মোটা দাগের ইঙ্গিত — কেনা বা বেচার পরামর্শ নয়।
52 সপ্তাহের দামের সীমা
এখন ৳83
1 বছরের সর্বনিম্ন68.60
1 বছরের সর্বোচ্চ85.90
গত এক বছরের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দাম; এখনকার দাম কোথায় আছে দেখলে বোঝা যায় তলানিতে না চূড়ায়।
দাম তলানির কাছে থাকলে অনেকে সুযোগ ভাবেন, চূড়ার কাছে থাকলে সাবধান হন — তবে শুধু এটা দিয়ে নয়, ফান্ডামেন্টালও দেখতে হয়।
দামের পরিসংখ্যান
গত 2 দিনের সর্বোচ্চ৳83.20
গত 2 দিনের সর্বনিম্ন৳81.90
30 দিনের গড়৳79.24
গড়ের উপরে
6 মাসের গড়৳75.70
গড়ের উপরে
1 বছরের গড়৳76.59
গড়ের উপরে
গড় দাম মানে ওই সময়ের মধ্যে শেয়ারটা গড়ে কত টাকায় লেনদেন হয়েছে। এখনকার দাম গড়ের নিচে থাকলে অনেকে তুলনামূলক সস্তা ভাবেন, উপরে থাকলে দামি।
শুধু গড় দিয়ে সিদ্ধান্ত নয় — কোম্পানির ফান্ডামেন্টালও দেখতে হয়। দাম পড়া মানেই সুযোগ নয়, কারণ থাকতে পারে। ইতিহাস: 242 দিনের ডেটা, সর্বশেষ 2026-07-02।
আজকের লেনদেন
ভলিউম (শেয়ার)636,440
ট্রেড সংখ্যা1,252
টাকার অঙ্ক৳5.25 কোটি
আজ কত শেয়ার হাতবদল হয়েছে। একে liquidity বলে — শেয়ারটা কত সহজে কেনা/বেচা যায়।
বেশি ভলিউম = সহজে কেনা/বেচা যায়; খুব কম = বের হওয়া কঠিন।
খবর ও কর্পোরেট ঘোষণা
2026-06-04ঘোষণা
ACMELAB: Completion of Transmission of Deceased MD's Shares to Nominees
The Company has further informed that 8,574,000 shares of the Company held by Late Mr. Mizanur Rahman Sinha, Sponsor Director and Managing Director of the company, have been transmitted to the BO account of his nominees, Ms. Tasneem Sinha, daughter of late Mr. Mizanur Rahman Sinha & Deputy Managing Director of the Company and Mr. Tanveer Sinha, son of late Mr. Mizanur Rahman Sinha & Director of the Company by way of nomination as per the news disseminated by DSE on June 3, 2026.
2026-06-03ঘোষণা
ACMELAB: Transmission of Deceased Managing Director's Shares to Nominees
The Company has informed that Mr. Mizanur Rahman Sinha, Sponsor Director and Managing Director of the company, passed away on May 16, 2026. His holding of 8,574,000 shares of the Company will be transmitted to his nominees by way of nomination as follows: Ms. Tasneem Sinha, daughter of late Mr. Mizanur Rahman Sinha and Deputy Managing Director of the Company will receive 4,287,000 shares. Mr. Tanveer Sinha, son of late Mr. Mizanur Rahman Sinha and Director of the Company will receive 4,287,000 shares.
2026-04-30আর্থিক
ACMELAB: Q3 Financials
(Cont. News of ACMELAB): Net operating cash flow per share has been increased due to higher sales collections and lower procurement of materials. In addition, finance cost has been decreased while Inventory levels-including materials in transit has also been decreased. (end)
2026-04-30আর্থিক
ACMELAB: Q3 Financials
(Q3 Un-audited): EPS was Tk. 3.30 for January-March 2026 as against Tk. 2.81 for January-March 2025; EPS was Tk. 9.40 for July 2025-March 2026 as against Tk. 8.28 for July 2024-March 2025. NOCFPS was Tk. 19.78 for July 2025-March 2026 as against Tk. 7.76 (restated) for July 2024-March 2025. NAV per share was Tk. 132.27 as on March 31, 2026 and Tk. 126.37 as on June 30, 2025. (cont.)
2026-04-23আর্থিক
ACMELAB: Board Meeting schedule under LR 16(1)
As per Regulation 16(1) of the Dhaka Stock Exchange (Listing) Regulations, 2015, the Company has informed that a meeting of the Board of Directors will be held on April 29, 2026 at 3:30 pm to consider, among others, Un-Audited Financial Statements for the Third Quarter (Q3) period ended March 31, 2026.
কোন তারিখে যার নামে শেয়ার থাকবে, সে ওই ঘোষণার অধিকারী — এটাই রেকর্ড ডেট। তবে এটা সবসময় ডিভিডেন্ডের জন্য নয়: কখনো শুধু AGM-এ যোগ/ভোটের জন্য, কখনো ডিভিডেন্ড/বোনাস/রাইটসের জন্য।
⚠️ রেকর্ড ডেট থাকলেই ডিভিডেন্ড আসছে — এমন নয়। কোম্পানি লসে থাকলে AGM-এ “No Dividend”-ও ঘোষণা হতে পারে। তাই রেকর্ড ডেটের পাশাপাশি উপরের ডিভিডেন্ড ঘরটা ও খবর দুটোই দেখুন — কীসের রেকর্ড ডেট তা ওখানেই বোঝা যাবে।
📌 এই তারিখটা DSE-র কর্পোরেট ঘোষণা (নিউজ) থেকে নেওয়া — উপরের খবরের তালিকায় বা “DSE ঘোষণায় যাচাই করুন” লিংকে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
মৌলিক তথ্য (ফান্ডামেন্টাল)
🌱 প্রথমবার বিনিয়োগ করছেন? নিচের প্রতিটি সংখ্যার পাশে “এটা কী?” খুলুন — সহজ বাংলায় মানে, সাথে এই শেয়ারের আসল সংখ্যা দিয়ে উদাহরণ দেওয়া আছে। একটাও সংখ্যা একা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন না — কয়েকটা একসাথে মিলিয়ে দেখুন, আর উপরের “এক নজরে” স্কোর দিয়ে শুরু করুন।
ক্যাটাগরি
কোম্পানির শ্রেণি / মান
A
✓ সবচেয়ে ভালো শ্রেণি
DSE প্রতিটি শেয়ারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করে — বিগিনারের জন্য সবচেয়ে সহজ ফিল্টার। ভাবুন স্কুলের রেজাল্টের মতো:
A — নিয়মিত AGM, গত বছর 10%+ ডিভিডেন্ড → সবচেয়ে নিরাপদ (ফার্স্ট ডিভিশন) B — AGM করে কিন্তু 10%-এর কম ডিভিডেন্ড N — নতুন লিস্টেড, ট্র্যাক রেকর্ড নেই Z — AGM/ডিভিডেন্ড দেয় না বা লসে → সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ (ফেল করছে)
📕 নতুনদের জন্য: শুরুতে A ক্যাটাগরিতে থাকা মানে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ। Z ক্যাটাগরি সাধারণত এড়িয়ে চলুন — দাম খুব কম দেখে লোভনীয় মনে হলেও এগুলোতে ঝুঁকি অনেক বেশি।
কোম্পানি এক বছরে প্রতিটি শেয়ারের পেছনে কত টাকা লাভ করেছে।
পজিটিভ ও বছর বছর বাড়লে ব্যবসা ভালো; নেগেটিভ মানে লস।
📕 উদাহরণ: এই কোম্পানির EPS ৳11.48। আপনার কাছে ১০০টি শেয়ার থাকলে, কোম্পানি গত বছর ওই শেয়ারগুলোর পেছনে মোট ১০০ × 11.48 = ৳1,148 লাভ করেছে। (পুরোটা হাতে পান না — কিছু ডিভিডেন্ড হিসেবে দেয়, বাকিটা কোম্পানি ব্যবসা বাড়াতে রেখে দেয়।)
🔑 নতুনদের টিপ: একটা বছরের EPS দেখে নয় — ৩-৫ বছরে EPS বাড়ছে কি না সেটাই আসল। হঠাৎ এক বছরের বড় লাভ (যেমন জমি বিক্রি) টেকসই নাও হতে পারে।
এটি 2025 সালের অডিটেড বার্ষিক হিসাব — দামের মতো লাইভ নয়; পরের বার্ষিক রিপোর্টে আপডেট হবে।
দাম ÷ EPS। দামটা আয়ের তুলনায় সস্তা না দামি বোঝায়।
📕 উদাহরণ: এই শেয়ারের P/E 6.56 — মানে কোম্পানির ১ বছরের আয়ের 6.56 গুণদাম দিয়ে আপনি শেয়ারটা কিনছেন। সহজ করে: আয় একই থাকলে আপনার দেওয়া টাকা কোম্পানির আয় থেকে “উঠে আসতে” মোটামুটি 6.56 বছর লাগবে।
একই ব্যবসার দুটি শেয়ারে যেটার P/E কম, সেটা তুলনামূলক সস্তা; খুব বেশি (40+) হলে দামি/প্রত্যাশা চড়া।
⚠️ নতুনদের সতর্কতা: P/E কম মানেই ভালো নয় — অনেক সময় কম P/E মানে বাজার কোম্পানিটাকে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবছে। আর আলাদা খাতের P/E তুলনা করবেন না (ব্যাংকের সাথে ফার্মা মেলে না)।
EPS নেগেটিভ (লস) হলে P/E-ও নেগেটিভ হয় — তখন এটা দিয়ে দাম বিচার করা যায় না, উপরের EPS দেখুন।
সব সম্পদ থেকে দেনা বাদ দিলে প্রতি শেয়ারে কত টাকার সম্পদ থাকে — অনেকটা “কোম্পানি আজ বন্ধ করে সব বিক্রি করলে প্রতি শেয়ারে কত পাওয়া যেত”।
📕 উদাহরণ: এই শেয়ারের NAV ৳126.37, আর বাজারদর ৳82.60 — অর্থাৎ দাম NAV-র 0.65 গুণ। দাম বুক-ভ্যালুর নিচে — সস্তা মনে হতে পারে, কিন্তু কোম্পানি লাভজনক কিনা আগে দেখুন।
📅 এই NAV 2025 সালের অডিটেড বছরশেষের হিসাব — লাইভ নয়, দামের মতো প্রতিদিন বদলায় না।
এই খাতে (টেলিকম/ফার্মা/FMCG/সার্ভিস) মূল্য মূলত ব্র্যান্ড, গ্রাহক ও আয়ে। তাই দাম NAV-র অনেক উপরে থাকা স্বাভাবিক, দুর্বলতা নয়।
আসল বিপদ: দাম NAV-র অনেক উপরে আর সাথে কোম্পানি লস করছে বা আয় বাড়ছে না — তখন সাবধান।
উল্টোটাও সত্যি — দাম NAV-র অনেক নিচে দেখে সস্তা মনে হলেও, যদি কোম্পানি লসে থাকে তাহলে বুক ভ্যালু হয়তো কমছে (খারাপ অ্যাসেট/ঋণ) — এটা সুযোগ নয়, সতর্কতার সংকেত।
দাম ৳82.60 ধরলে এটা 4.24% ইল্ড — অর্থাৎ আজ কিনলে শুধু ডিভিডেন্ড থেকেই বছরে ~4.24% রিটার্ন (দাম ওঠানামা বাদে)।
🔑 নতুনদের টিপ: বড় ডিভিডেন্ড % দেখে লাফাবেন না — দেখুন কোম্পানি প্রতি বছর নিয়মিত দেয় কি না, আর সেটা ক্যাশ না শুধু বোনাস (বোনাসে নগদ আসে না, শেয়ার সংখ্যা বাড়ে)।
কোম্পানি কাগজে লাভ দেখাচ্ছে নাকি হাতে নগদও আসছে — এটা সেটা বলে। (NOCFPS = অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ÷ শেয়ার সংখ্যা।)
📕 সহজ উদাহরণ: একটা দোকান খাতায় লিখল ৳১০ লাখ লাভ, কিন্তু পুরোটা বাকিতে বিক্রি — হাতে নগদ এলো সামান্য। EPS তখন বড়, NOCFPS ছোট। তাই দুটো একসাথে দেখলে বোঝা যায় লাভটা আসল না কাগুজে।
✅ NOCFPS পজিটিভ ও EPS-এর কাছাকাছি/বেশি = লাভ আসল, হাতে নগদ আসছে। ⚠ EPS বেশি অথচ NOCFPS অনেক কম/নেগেটিভ = সাবধান, লাভটা হয়তো শুধু হিসাবের।
ℹ এই সংখ্যাটা DSE-র পেজে সরাসরি পাওয়া যায় না, তাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসেনি।